দৈনিক নবতান
জনতার সংসদ

BREAKING NEWS

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে বৃষ্টিতে ভেঙ্গে পড়েছে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর সাইফুর রহমান শামীম কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি।। কুড়িগ্রামের রৌমারীতে বৃষ্টিতে ভেঙ্গে পড়েছে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর। ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে রৌমারী উপজেলায় মুজিবশত বর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে ২য় দফায় মোট ২০২টি পরিবারের জন্য “ভুমিহীন ও গৃহহীনদের পুর্নবাসন প্রকল্প‘ এর আশ্রয়ন প্রকল্প-২ নির্মান কাজ চলমান রয়েছে। এঘটনা এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ভেঙ্গে যাওয়া ঘর গুলো দ্রুত মেরামত করার জন্য প্রশাসনের দৌড়ঝাপ শুরু হয়েছে। জানা গেছে, দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের হরিণধরা বগারচর নামক এলাকায় ভুমিহীন ও গৃহহীনদের পুর্নবাসনে মোট ৩৫ টি পরিবারের জন্য ঘর নির্মান কাজ চলমান রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে নিম্ন মানের কাজ, ঘরের পাশে ড্রেজারে বালু উত্তোলনে গভীর গর্তের সৃষ্টি ও আশ্রয় কেন্দ্রে গাইড ওয়াল না থাকায় রাতে বৃষ্টিতে ঘরের পাশের মাটি সরে গিয়ে ৫টি ঘর ধসে পড়েছে। দাঁতভাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাষ্টার বলেন, উপজেলা নিবার্হী অফিসার নিজে ঘর নির্মানে তদারকি করেন। তবে ঘরগুলি নির্মানে নিম্নমানের কাজের কথা আমি আগেই শুনেছি এবং আমি আশংকা করেছি আগামি কয়েক বছরের মধ্যে ঘর গুলি ধ্বসে পড়বে। এ বিষয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আজিজুর রহমান বলেন, বৃষ্টির কারনে বালু সরে গিয়ে ৪টি ঘরের আংশিক ভেঙ্গে গেছে। ঘর গুলি দ্রুত মেরামতের কাজ চলছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরান বলেন, আশ্রয়ন কেন্দ্র রক্ষায় গাইড ওয়াল নিমার্নে প্রকল্প নেয়া হয়েছে। গাইড ওয়ালের কাজ শুরু করার আগেই বৃষ্টিতে বালু মাটি সরে গিয়ে ঘর গুলি ধসে যায়। এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

0

সাইফুর রহমান শামীম কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি।। কুড়িগ্রামের রৌমারীতে বৃষ্টিতে ভেঙ্গে পড়েছে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর। ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে রৌমারী উপজেলায় মুজিবশত বর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে ২য় দফায় মোট ২০২টি পরিবারের জন্য “ভুমিহীন ও গৃহহীনদের পুর্নবাসন প্রকল্প‘ এর আশ্রয়ন প্রকল্প-২ নির্মান কাজ চলমান রয়েছে।

এঘটনা এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ভেঙ্গে যাওয়া ঘর গুলো দ্রুত মেরামত করার জন্য প্রশাসনের দৌড়ঝাপ শুরু হয়েছে।

জানা গেছে, দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের হরিণধরা বগারচর নামক এলাকায় ভুমিহীন ও গৃহহীনদের পুর্নবাসনে মোট ৩৫ টি পরিবারের জন্য ঘর নির্মান কাজ চলমান রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে নিম্ন মানের কাজ, ঘরের পাশে ড্রেজারে বালু উত্তোলনে গভীর গর্তের সৃষ্টি ও আশ্রয় কেন্দ্রে গাইড ওয়াল না থাকায় রাতে বৃষ্টিতে ঘরের পাশের মাটি সরে গিয়ে ৫টি ঘর ধসে পড়েছে।
দাঁতভাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাষ্টার বলেন, উপজেলা নিবার্হী অফিসার নিজে ঘর নির্মানে তদারকি করেন। তবে ঘরগুলি নির্মানে নিম্নমানের কাজের কথা আমি আগেই শুনেছি এবং আমি আশংকা করেছি আগামি কয়েক বছরের মধ্যে ঘর গুলি ধ্বসে পড়বে।
এ বিষয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আজিজুর রহমান বলেন, বৃষ্টির কারনে বালু সরে গিয়ে ৪টি ঘরের আংশিক ভেঙ্গে গেছে। ঘর গুলি দ্রুত মেরামতের কাজ চলছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরান বলেন, আশ্রয়ন কেন্দ্র রক্ষায় গাইড ওয়াল নিমার্নে প্রকল্প নেয়া হয়েছে। গাইড ওয়ালের কাজ শুরু করার আগেই বৃষ্টিতে বালু মাটি সরে গিয়ে ঘর গুলি ধসে যায়। এ বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.