দৈনিক নবতান
জনতার সংসদ

BREAKING NEWS

বিডি২৪লাইভ এ সংবাদ প্রকাশের পর প্রতিবন্ধী রিপনের দায়িত্ব নিলেন ইউএনও হাফিজা জেসমিন

0

পা তার থেকেও নেই, হাতের উপর ভর করে চলতে হয়। ৩০টি বছর ধরেই সে হাতের উপর ভর করে করে ভিক্ষা করা রিপন মিয়া’র (৩৭)কর্মের ব্যবস্থা করে দিবেন বলে জানিয়েছেন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসা. হাফিজা জেসমিন। একই সাথে তাকে বসবাস করার একটি ঘরও করে দিবেন।বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) বিকালে রিপন মিয়া ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসা. হাফিজা জেসমিন’র সাথে দেখা করতে গেলে তাকে কর্মের ব্যবস্থা করে দিবেন বলে জানান। এর আগে গত ১১ অক্টোবর ‘রিপনের পা নেই,তার হাতই ভরসা! করেন মানবেতর জীবনযাপন’ এমন শিরোনামে বিডি২৪লাইভ এ সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোসা. হাফিজা জেসমিনের নজরে আসলে তিনি রিপন মিয়াকে দেখা করতে বলেন।

এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজা জেসমিন বিডি২৪লাইভ কে বলেন, রিপন মিয়া প্রতিবন্ধী। তাকে যদি আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়। সেই সাথে সহায়তা শেষ হলে আবার ভিক্ষা করবেন। এই জন্য তাকে প্রশিক্ষণ করিয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুজি দিয়ে কর্মের একটা ব্যবস্থা ও থাকার জন্য একটি ঘর করে দেয়া হবে এবং সেটা খুব তাড়াড়াড়ি দেয়া হবে।এছাড়াও রিপন ভিক্ষা করতে চায় না। সে নিজেও একটি কর্ম করতে চায়। তাই, তাকে কর্মের ব্যবস্থা করে দেয়ার চিন্তা করা হয়েছে। এ বিষয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী রিপন মিয়া বিডি২৪লাইভকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,খবর প্রকাশের পর ইউএনও স্যার আমার সাথে যোগাযোগ করে দেখা করতে বলেন। আজ দেখা করতে গেলে ইউএনও স্যার ট্রেনিং ও পুজি দিয়ে একটি কর্মের ব্যবস্থা করে দিবে ও একটি ঘর করে দিবে বলে জানিয়েছেন।

জানা যায়, প্রতিবন্ধী রিপন ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নের হারুয়া গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে। পৈতৃক পাঁচ শতাংশ জমিতে ছয় ভাইয়ের বসবাস। রিপনের বয়স যখন ছয়সাত বছর,তখন টাইফয়েড জ্বর হয় রিপন মিয়ার। এরপর থেকে অচল হয়ে যায় দুই পা। সংসারে অভাব থাকায় উন্নত চিকিৎসা করাতে পারেননি বাবা। ১২ থেকে ১৩ বছর বয়সে হারান মাকে। এরপর থেকেই শুরু হয় জীবনযুদ্ধ। দুই হাতে ভর করে বিভিন্ন বাজারে হাত পেতে, ভিক্ষা করে সংসার চলে তার। ১৭ বছর আগে বিয়ে করেন রিপন। তাদের সংসারে এক মেয়ে ও দুই ছেলে রয়েছে। পাঁচ সদস্যের পরিবার নিয়ে

Leave A Reply

Your email address will not be published.