দৈনিক নবতান
জনতার সংসদ

করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকা দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার কার্যক্রম দেশব্যাপী শুরু হয়েছে

0

করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকা ক্যাম্পেইনের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার কার্যক্রম দেশব্যাপী শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে। রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের ১৩১টি কেন্দ্রসহ সারাদেশে বিকাল তিনটা পর্যন্ত চলবে টিকাদান কার্যক্রম। এক দিনে ৮০ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

কেন্দ্র বদল করে টিকা নেওয়ার সুযোগ না থাকায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে টিকা গ্রহীতারা ছুটছেন নির্ধারিত কেন্দ্রে। অনেক জায়গায় প্রথম দিকে উপস্থিতি কম থাকলেও ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে মানুষের চাপ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনার টিকা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব শামসুল হক বলেন, ‘সকাল ৯টা থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হওয়া এই টিকাদান কর্মসূচি চলবে কেন্দ্রে টিকা শেষ না হওয়া পর্যন্ত। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গতকালই সব জেলায় টিকা পাঠানো হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য এক দিনে ৮০ লাখ মানুষকে টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া।’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাসের জানিয়েছেন, দ্বিতীয় ডোজের টিকা দিতে দক্ষিণ সিটিতে ৭৫টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে সকাল ৯টায় শুরু হওয়া টিকা কার্যক্রম চলবে বিকাল ৩টা পর্যন্ত।

ঢাকা টাইমসকে তিনি বলেন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকাকার্যক্রম পরিচালনায় ৭৫টি ওয়ার্ডে ৭৫টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ১৫ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ, ১২ হাজার ৮২৭ জন নারীসহ মোট ২৮ হাজার ৭০২ জন টিকা নিয়েছিলেন।

অন্যদিকে উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. জোবায়দুর রহমান ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘উত্তর সিটির ৫৪টি ওয়ার্ডে ৫৬ কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হচ্ছে। একদিনে আমরা ৫৬ হাজার ডোজ টিকা দিতে চাই।’

গত ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ৮০ লাখ মানুষকে একসঙ্গে টিকা দেওয়ার কথা ছিল। তবে একদিনে সেই লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ হয়নি। তাই ২৯ সেপ্টেম্বরসহ ৮০ লাখ ৯৩ হাজার ২৩৬ জনকে প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হয়।

এর আগে গত ৭ আগস্ট থেকে প্রথম ধাপে গণটিকার ঘোষণা দেয় সরকার। সে সময় পাঁচ দিনের জন্য চলে এ কার্যক্রম।

সারাদেশে সব সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলায় বিশেষ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন হবে।

চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে টিকাদান শুরু করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। দেশের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছিল সে সময়। তবে এখন ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদেরও টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে সরকার।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত ছয় কোটি ২৬ লাখ এক হাজার ১৫৩ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে চার কোটি ১২ লাখ ৬৮ হাজার ৮১০ জনকে এবং দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন দুই কোটি ১৩ লাখ ৩২ হাজার ২৮৯ জন। বুধবার দুই ডোজ মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে পাঁচ লাখ ৩৮ হাজার ১৪০ ডোজ টিকা।

এছাড়া এখন পর্যন্ত করোনার টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন পাঁচ কোটি ৭৩ লাখ আট হাজার ৯৫৮ জন। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে। রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের ১৩১টি কেন্দ্রসহ সারাদেশে বিকাল তিনটা পর্যন্ত চলবে টিকাদান কার্যক্রম। এক দিনে ৮০ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ।

কেন্দ্র বদল করে টিকা নেওয়ার সুযোগ না থাকায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে টিকা গ্রহীতারা ছুটছেন নির্ধারিত কেন্দ্রে। অনেক জায়গায় প্রথম দিকে উপস্থিতি কম থাকলেও ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে মানুষের চাপ ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনার টিকা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব শামসুল হক বলেন, ‘সকাল ৯টা থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হওয়া এই টিকাদান কর্মসূচি চলবে কেন্দ্রে টিকা শেষ না হওয়া পর্যন্ত। এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গতকালই সব জেলায় টিকা পাঠানো হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য এক দিনে ৮০ লাখ মানুষকে টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া ।’

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাসের জানিয়েছেন, দ্বিতীয় ডোজের টিকা দিতে দক্ষিণ সিটিতে ৭৫টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলোতে সকাল ৯টায় শুরু হওয়া টিকা কার্যক্রম চলবে বিকাল ৩টা পর্যন্ত ।

ঢাকা টাইমসকে তিনি বলেন, দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকাকার্যক্রম পরিচালনায় ৭৫টি ওয়ার্ডে ৭৫টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ১৫ হাজার ৮৭৫ জন পুরুষ, ১২ হাজার ৮২৭ জন নারীসহ মোট ২৮ হাজার ৭০২ জন টিকা নিয়েছিলেন।

অন্যদিকে উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. জোবায়দুর রহমান ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘উত্তর সিটির ৫৪টি ওয়ার্ডে ৫৬ কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হচ্ছে। একদিনে আমরা ৫৬ হাজার ডোজ টিকা দিতে চাই ।’

গত ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ৮০ লাখ মানুষকে একসঙ্গে টিকা দেওয়ার কথা ছিল। তবে একদিনে সেই লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ হয়নি। তাই ২৯ সেপ্টেম্বরসহ ৮০ লাখ ৯৩ হাজার ২৩৬ জনকে প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হয়।

এর আগে গত ৭ আগস্ট থেকে প্রথম ধাপে গণটিকার ঘোষণা দেয় সরকার। সে সময় পাঁচ দিনের জন্য চলে এ কার্যক্রম।

সারাদেশে সব সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলায় বিশেষ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্পেইন হবে।

চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে টিকাদান শুরু করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। দেশের মোট জনসংখ্যার ৮০ শতাংশকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছিল সে সময়। তবে এখন ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদেরও টিকার আওতায় আনার পরিকল্পনা করেছে সরকার।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত ছয় কোটি ২৬ লাখ এক হাজার ১৫৩ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে চার কোটি ১২ লাখ ৬৮ হাজার ৮১০ জনকে এবং দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন দুই কোটি ১৩ লাখ ৩২ হাজার ২৮৯ জন। বুধবার দুই ডোজ মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে পাঁচ লাখ ৩৮ হাজার ১৪০ ডোজ টিকা।

এছাড়া এখন পর্যন্ত করোনার টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন পাঁচ কোটি ৭৩ লাখ আট হাজার ৯৫৮ জন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.