দৈনিক নবতান
জনতার সংসদ

BREAKING NEWS

দিগপাইত স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্রে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে সেচ্চাচারিতা চলছে….

0

ক্রাইম রিপোর্টার ঃ-সাকির আহমেদ

তথ্য সূত্র…স্টাফ রিপোর্টার :-রফিকুল ইসলাম

ঘটনা গতকাল ১২/০৪/২০২২ইং রোজ মঙ্গলবার আমাদের এলাকার অসহায় একজন গর্ভবতী (রত্না বেগম) মহিলা প্রসব বেদনা নিয়ে আনুমানিক বেলা ১ঃ৩০টার দিকে দিগপাইত স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্রে নরমাল ডেলিভারি করানোর জন্য যান। খুবী অসহায় পরিবার টাকা খরচ করে অপারেশন করানোর মতো অর্থনৈতিক অবস্থা তাদের নেই। কিন্তু দিগপাইত স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্রের ফ্যামিলি প্ল্যানিং ওয়েল ফেয়ার ভিজিটর “ভাসনা রানী দে” যে গর্ভবতীদের এ,এন,সি/পি,এন,সি সেবা প্রদান এবং গ্রামের গর্ভবতী রোগীদের নরমাল ডেলিভারি করানোর দায়িত্বে রয়েছেন। দুঃখের বিষয় তিনি সেই অসহায় গর্ভবতী (রত্না বেগম) মহিলাকে কোন প্রকার সহযোগিতা না করে জামালপুরে যেতে বলেন। অথচ সেই রোগীর কাছে জামালপুর যাওয়ার ভাড়ার টাকা নেই। রোগী আমার এলাকার হওয়ায় তাকে আমি পারিবারিকভাবেই জানি। কিছুদিন আগে তাদের থাকার একমাত্র ঘরটি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রোগীর পরিবার কেঁদে কেঁদে বিষয়টি আমাকে জানান। তাদের কাছে এতো টাকা নেই তাই কি করবে ভেবে পাচ্ছে না। তবে, আল্লাহর অশেষ রহমতে আনুমানিক ৪০ মিনিট পর তার বাড়িতেই নরমাল ডেলিভারি হয়ে যায়। পরবর্তীতে আমি দিগপাইত স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্রের উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ রেজাউল করিম হীরার সঙ্গে যোগাযোগ করি। ডাঃ রেজাউল করিম হীরা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। এ বিষয়ে আমি আজকে ভাসনা রানী দে’র সঙ্গে দিগপাইত স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্রে গিয়ে সাক্ষাৎ করে গতকালের ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাই। তাকে যখন জিজ্ঞেস করি প্রসব বেদনা নিয়ে কোন রোগী এলে আপনার এখানে কতো ঘন্টা রাখার নিয়ম আছে? তিনি বলেন- আমরা ১২ ঘন্টা পর্যন্ত রাখতে পারি। আমি বলি – তাহলে গতকাল রত্না বেগম নামের রোগীটিকে আদা ঘন্টা রেখেই কেন ফেরত দিয়েছেন এবং জামালপুর যেতে বলেছেন? তিনি বলেন- রোগীর সমস্যা ছিলো। তাই জামালপুর যেতে বলেছি। আমি যখন তাকে বললাম- তারা অসহায় গরীব মানুষ তাদের কাছে টাকা ছিলো না। তাই জামালপুর যেতে পারেনি। তাকে জানালাম – আপনি রোগীকে ফেরত দেওয়ার ৪০ মিনিট পরেই আল্লাহর অশেষ রহমতে তার বাড়িতেই নরমাল ডেলিভারি হয়েছে। অথচ আপনি চরম উদাসীনতা দেখিয়েছেন। তিনি আমার কথার কোন সদুত্তর দিতে পারলেন না। তার কাছে যখন প্রশ্ন করি – আপনার বিভাগের দায়িত্বে থাকা আয়া “নাছিম আক্তার” সম্পর্কে অভিযোগ আছে তিনি অবৈধ গর্ভপাত করিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। তিনি এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ তিনি রোগীর সঙ্গে ভদ্র ভাষায় কথা বলেন না। তার ব্যবহার খুবী খারাপ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.