দৈনিক নবতান
জনতার সংসদ

BREAKING NEWS

সরকারী গাছ কেটে বিক্রি করলেন ছোনটিয়া পটল গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মতিউর ।

0
সরকারী গাছ কেটে বিক্রি করলেন ছোনটিয়া পটল গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মতিউর রহমান   ক্রাইম রিপোর্টার সাকির আহমেদঃ জামালপুর সদর উপজেলার অন্তর্গত ১৪নং দিগপাইত ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ছোনটিয়া পটল গ্রামের জবান আলীর ছেলে অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মোঃ মতিউর রহমান ১২টি সরকারি গাছ কেটে বিক্রি করলেন। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, গত শুক্রবার ১.৭.২০২২ইং ছোনটিয়া পটল গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মোঃ মতিউর রহমান পটল গ্রামের তিন রাস্তার মোড়ের উত্তর দিকের রাস্তা পাশে থাকা ১২ টি (ইউকেলিকটাস) গাছ ছোনটিয়া মোড়ের কাঠ ব্যবসায়ী রেজাউলের কাছে বিক্রি করেন। এ বিষয়ে কাঠ ব্যবসায়ী রেজাউলকে প্রশ্ন করা হয়  - আপনি সরকারি গাছ কিভাবে কিনলেন? কত টাকার গাছ কিনেছেন? রেজাউল জানান - আমি ১২টি গাছ প্রায় এক লক্ষ টাকায় কিনেছি। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে ফোনে বিষয়টি জানানো হয়। ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান মাষ্টার বলেন - মতিউর রহমান কাজটি ঠিক করেন নি। আমি যথাযথ ব্যবস্থা নিবো। ওয়ার্ড মেম্বার সেলিম সরেজমিনে গিয়ে তিনিও ইউপি চেয়ারম্যানকে সরকারি গাছ বিক্রির বিষয়টি অবহিত করেন। ইউনিয়ন ভুমি অফিসের নায়েবকে বিষয়টি জানানো হলে - তিনি এ বিষয়ে কোন গুরুত্ব দেননি। সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসারকে গতকালই বিষয়টি জানানো হয়। আজকে তার কাছে আবার বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন - গতকালই চেয়ারম্যানকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে গাছ আটক করে জিম্মায় নেয়ার জন্য। গাছ বিক্রিকারী অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা মোঃ মতিউর রহমান কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন - রাস্তার পাশে গাছগুলি আমি লাগিয়ে ছিলাম। এখন টাকার প্রয়োজনে বিক্রি করেছি। আবার আমি নতুন চারাগাছ লাগিয়ে দিবো। স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, এভাবে এমন ক্ষমতা খাটিয়েই তিনি এলাকাতে চলেন। এখন আবার সরকারি গাছ বিক্রি করেছেন। আমরা জানি না এতো ক্ষমতা তিনি কোথা থেকে পায়। সচেতন মহল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন - আজকে ১২টি সরকারি গাছ একজন বিক্রি করে দিয়েছে। কালকে আরেকজনে বিক্রি করবো। এভাবে চললে রাস্তার পাশে আর কোন গাছ থাকবো না। আর সরকারি জায়গায় গাছ লাগিয়ে বিক্রি করার বিধান আছে কিনা আমরা জানি না। সুতরাং - যদি সরকারি জায়গায় গাছ লাগিয়ে বিক্রি করার বিধান না থাকে তবে,  যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেয়া এখন সময়ের দাবী।
ক্রাইম রিপোর্টার ঃ সাকির আহমেদ 

Leave A Reply

Your email address will not be published.