দৈনিক নবতান
জনতার সংসদ

BREAKING NEWS

কুড়িগ্রামে নিখোঁজের চার দিন পর ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার

0

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি।
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় পাট কাটতে গিয়ে নিখোঁজ এর চার দিন পর মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু(৪২) নামের এক যুবকের লাশ তার বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরত্বে বিলের পানিতে পাওয়া গেছে।

নিহত বাচ্চু কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার পৌরসভার অন্তর্গত বদি জামালপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত কয়সার আলীর ছেলে। তিনি ৩ পুত্র সন্তানের জনক ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় এক মহিলা তার হাঁস খুঁজতে এসে নিহতের হাঁটু ভেসে থাকতে দেখতে পায়, ও নাকে দুর্গন্ধ লাগলে তিনি লোকজনকে বিষয়টি জানান, মুহূর্তের মধ্যে হাজার হাজার লোকজন তা দেখতে ভীড় জমায়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায়, আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু তার ছেলেকে নিয়ে সোমবার(২৫ জুলাই) সোমবার বাড়ির পার্শ্ববর্তী মোসলিয়া নামক বিলের ধারে পাট ক্ষেতে পাট কাটতে আসছিলেন, প্রথমে ছেলের সাথে পাট কাটেন, পরে ছেলে বাসায় চলে গেলেও তিনি একা একা পাট কাটতে থাকেন। পরে সন্ধ্যা অতিক্রম হওয়ার পরেও যখন তিনি বাসায় না ফেরেন তখন মৃত্যু বাচ্চুর স্বজনরা নাগেশ্বরী থানায় একটি ডায়রী করেন। পরে বাড়ির লোকজন চিন্তিত হয়ে বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি সহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। গত ৩ দিনে তার কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে এক বাচ্চা ও মহিলা তার হাঁস খুঁজতে নিকটস্থ মোসলিয়া বিলের পূর্ব দিকে আসলে তারা এক মৃতদেহের হাঁটু ভেসে থাকতে দেখেন এবং দুর্গন্ধ পাওয়ার পর তিনি ভয় পেয়ে অন্যান্য লোকদের বললে মুহূর্তের মধ্যে সেখানে হাজার হাজার লোক তা দেখতে ভিড় জমায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সেখানে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ কর্দমাক্ত অবস্থা থেকে মৃতদেহ উত্তোলনের জন্য স্থানটিকে ঘিরে রেখেছে।

নিহতের বড় ভাই বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বাচ্চুকে সোমবার থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না, বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করা হয়েছে কিন্তু আমরা কোথাও পাইনি, অবশেষে আজকে তার লাশ পেলাম। কারো সাথে শত্রুতা আছে বলে মনে করেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, হ্যাঁ আমার তেমনটাই মনে হচ্ছে।

এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ নবিউল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানায় নিহতের স্বজন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.